নিউজ ডেস্ক::গতকাল রোবাবার সকালে ডুমুরিয়ার খর্নিয়ায় এক মাদকাসক্ত পুত্রের ছুরিকাঘাতে আহত পিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় মাদকাসক্ত পুত্র ফারুক হোসেন মীরকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানাযায় উপজেলার খর্নিয়ায় মীর রুস্তম আলীর পুত্র ফারুক হোসেন ঘটনার দিন সকালে তার পিতার কাছে টাকা দাবীর এক পর্যায়ে ঘর থেকে ছুরি বের করে পিতার উপর ছুরিকাঘাত করে। এতে পিতা রুস্তম আলী গুরুতর¡ রক্তাক্ত যখম হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে । ডুমুরিয়া হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনায় পিতা রুস্তমআলী মীর বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।
গতকাল সন্ধ্যায় ডুমুরিয়া উপজেলা আ’লীগ নেতা অজয় সরকার প্রেস কাবে সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় করেন। প্রেস কাবের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক খান আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি এম এম সুলতান আহম্মেদ, যুবলীগ নেতা নুরুজ্জামান মিলন, সাংবাদিক অরুন দেবনাথ, শেখ সিরাজুল ইসলাম, আ’লীগ নেতা নাছির গোলদার, সরোয়ার খান, আশরাফুল আলম, সেতু, কাজল শেখ প্রমুখ।
নিউজ ডেস্ক:: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব মাহবুবুর রহমান রোববার ডুমুরিয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের এক পর্যায়ে বিকেলে পলিভরাটি মরা ভদ্রনদী পরিদর্শন করেন। তিনি আশু নদীটি খননের জন্য স্থানীয় পানি উন্নয়ন কতৃপ কে নির্দেশ দেন। এ সময় উপস্থিত ছিল এমপি নারায়ন চন্দ্র চন্দ। উপজেলা চেয়ারম্যান গাজী আ: হাদী, ভাইস চেয়ারম্যান রনজিত সরদার, শান্তি রঞ্জন কুন্ডু, খান নজরুল ইসলাম, আ’লীগ নেতা গাজী হুমায়ুন কবির বুলু, গাজী মেহেদী হাসান, সোহেল আহম্মেদ লিটন, সিরাজুল ইসলাম, গোপাল দে, আব্দুস ছালাম সহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা বৃন্দ।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল খুলনা জেলা শাখার সহ-সভাপতি ও রুপসা উপজেলা বিএনপির সভাপতি সাবেক ছাত্র নেতা শেখ আ: রশিদের আশু রোগ মুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে গতকাল রবিাবর বিকেলে বিএনপির দলীয় কার্যালয় মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্টিত হয়। উক্ত মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডুমুরিয়া উপজেলা বিএনরি সভাপতি চেয়ারম্যান খান আলী মুনসুর, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক চেয়ারম্যান মোল্যা মোশাররফ হোসেন মফিজ, অরুন কুমার গোলদার, মোল্যা আবুল কালাম, গাজী আ: হালিম, মোল্যা মসিউর রহমান, শেখ শাহিনুর রহমান, মোল্যা কবির হোসেন, মনির গোলদার, মোল্যা একরামুল হোসেন, ডা. আলম, দেলোয়ার হোসেন, শেখ ফরহাদ হোসেন, মাও: খলিলুর রহমান, মাও: আব্দুস ছালাম আল আজাদ, মোল্যা আ: অদুদ, গাজী ইছাক আলী, মুনসুর আলী, মো: মুস্তাইন, শহীদ খান, মোস্তফা খান (মেম্বর), পারভেজ গাজী, মুফতী ওমর ফারুক, হাফেজ কবির, শেখ আমিনুর রহমান, আ: গফ্ফার শেখ, সোহাগ গোলদার, হাফেজ আব্দুর রশিদ, হাফেজ আলমগীর, প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। মিলাদ মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন ডুমুরিয়া বারোয়ানী বাজার জামে মসজিদের খতিব হাফেজ মাও: সেকেন্দার আলী।
নিজস্ব সংবাদদাতা:: ডুমুরিয়ার খর্নিয়া সৃষ্টিশীল তরুন সংঘের আয়োজনে ৮ দলীয় ক্রিকেট টুনামেটের ফাইনাল খেলা গতকাল শনিবার খর্নিয়া মাঠে আনুষ্ঠিত হয়। শাহাপুর একাদশ ও চুকনগর একাদশের মধ্যেকার খেলায় টসে জিতে চুকনগর একাদশ প্রথমে ব্যাট করে নিধারিত ২০ ওভারে সব কয়টি ইউকেট হারিয়ে ৯৭ রান করে। ৯৮ রানের জয়ের লক্ষে খেলতে নেমে শাহাপুর একাদশ ২ ইউকেট হারিয়ে কাক্ষিত জয়ের লক্ষে পৌছিয়ে চুকনগর একাদশকে ৮ ইউকেটে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ান হওয়ার গৌরব অর্জন করে। খেলা শেষে পুরষ্কার বিতরন উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভা কাবের সভাপতি জুয়েল রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। পুরষ্কার বিতরনী সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন সম্পাদক তরুন সমাজ সেবক মেহেদী হাসান বিপ্লব। সভায় বক্তব্য দেন সমির দে গোরা,জাহাবক্স, রমেন্দ্রনাথ কুন্ডু, দিপঙ্ক কুন্ডু, কামরুল ইসলাম, প্রমুখ। সভা শেষে প্রধান অতিথি চ্যাম্পিয়ান ও রানর্সআপ দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন।
কাজী রফিকুল হাসান ০৩ ফেব্র“য়ারী জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ॥ সারা দেশে ভূমি দসু্যুদের দৌরাত্ম বাড়ছে। সেদিক দিয়ে জামালপুর পিছিয়ে নেই। দেশের চরাঞ্চলের খাস জমি ভূমি দস্যুরা দখল কাজে মেতে উঠেছে। যে ভাবে পাড়ছে সে ভাবেই দখল করছে। দখল নিয়ে চরবাসীদের মধ্যে বিরোধ লেগেই আছে। এ নিয়ে মারামারি ও মামলা মোকদ্দমাও হয়েছে। বিশেষ করে যমুনা ও ব্রহ্মপুত্র নদের জেগে উঠা চরগুলো নিয়েই মারমার কাটকাট অবস্থা বিরাজ করছে। অথচ সরকারী খাস জমি বিতরনের নিয়ম নীতি রয়েছে। আইনে আছে খাস জমিগুলোর মালিক ভূমিহীনরা। ভূমিহীনরা এসব জমি পাওয়াতো দূরের কথা ভূমিদস্যুদের কবজায় চলে গেছে। বিভিন্ন সুত্র মতে জানা গেছে, খাস জমি দখল নিয়ে ভূমি দস্যুরা গড়ে তুলেছে সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেট সদস্যরা খুবই প্রভাবশালী। তারা স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একের পর এক খাস জমি দখল করে যাচ্ছে। আরো জমি দখল করার পাঁয়তারা করছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরকারি দলের মাঠ পর্যায়ের কতিপয় নেতা দখল কাজ করে যাচ্ছে। এতে তারাও মাসোহারা পাচ্ছে। এসব নেতাদের মূল কাজ হচ্ছে প্রশাসনকে ম্যানেজ করা। মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ, ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, বকশীগঞ্জ, সরিষাবাড়ী ও জামালপুর সদর উপজেলার খাস জমিগুলো ভূমি দস্যুদের কবজায় ।
কাজী রফিকুল হাসান ০৩ ফেব্র“য়ারী জামালপুর জেলা প্রতিনিধি ॥ আমন মৌসুমে জামালপুরের কৃষকরা মার খেয়ে নেমে পড়েছে বোরো চাষে। অন্যান্য ফসলের চেয়ে বোরো চাষে খরচ বেশি। সেচ ছাড়া বোরো চাষ সম্ভব হয় না। বোরো চাষকে ঘিরে কৃষকরা পড়েছে চরম বিপাকে। বিশেষ করে ভেজাল কীট নাশকের বেড়াজালে পড়ে কৃষকরা নিশ্চিহ্ন হয়ে পড়েছে। কীট নাশক আসল নকল বুঝার উপায় নেই। ভেজাল কীট নাশক বিক্রি এতোটা বেড়েছে স্বয়ং কৃষি বিভাগ বিপাকে পড়েছে। জেলার কৃষি শিল্পকে ধ্বংস করার জন্য একটি সংঘবদ্ধ চক্র ভারতীয় নিম্নমানের কীটনাশক এনে দেশীয় নামিদামি কোম্পানীর মোড়কে ভর্তি করে বাজারজাত করছে। জামালপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীরচর, রায়ের চর, টেবির চর, তুলসীর চর, কাদিয়ার চর, চর গজারিয়া, চর যথার্থপুর, কুলুর চর, চর হামিদপুর, বাঁশচড়া, হামিদপুর, শ্রীপুর শাহবাজপুর, বলাইয়ের চর, দিগপাইত, নারিকেলী, ছোনটিয়া, মেষ্টা, হাজীপুর, ছাতিয়ানী, তিতপলা, ইটাইল, নান্দিনা, নরুন্দী,রশিদপুর, শরীফপুর সহ আরো অসংখ্য এলাকায় বোরো চাষ হচ্ছে। সরেজমিনে এসব এলাকা ঘুরে দেখা ও জানা গেছে, এ অঞ্চলের কৃষকদের একটাই সমস্যা কীটনাশক। গেলো বছর বোরো জমিতে কীটনাশক প্রয়োগ করে পোকা দমন করা যায়নি। যার জন্যে ফলন কম হয়েছে। এবারও একই সমস্যা দেখা দিয়েছে। কৃষক ফারুক জানান, ভেজাল কীট নাশকের কারনে বোরো আবাদ ব্যহত হচ্ছে। এছাড়া মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ,ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ,বকশীগঞ্জ,সরিষাবাড়ী উপজেলাধীন ডাংধরা, পারারামপুর, হাতীবান্দা,বাগারচর,বাট্টাজোড়, চিকাজানী, মহাদান, ভাটারা, কামরাবাদ, পুগলদিঘা, সাতপোয়া,দোয়াইল ও আওনা এলাকার কৃষকরা ভেজাল কীটনাশকের কারনে বোরো আবাদ ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। কৃষি বিভাগের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, ভেজাল কীটনাশক জমিকে অনুর্বর করে তুলে। ভেজাল কীটনাশক প্রতিরোধে ব্যবস্থা না নিলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বিরূপ পভাব পড়বে।

